|
|
|
|
|
|
| |
|
| আইন প্রণয়ন |
|
| আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং বিভাগ এর প্রধান কাজ হচ্ছে সরকারের পক্ষে সংসদে উপস্থাপনীয় সকল আইনের খসড়া বিল প্রস্তুত , পরীক্ষা ও পুংখানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা। কখনও কখনও লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং বিভাগ তৎকর্তৃক প্রাথমিক খসড়া বিল প্রস্তুত করে থাকে । আবার কখনও কখনও মন্ত্রীসভা পরিষদ কর্তৃক নীতিগত প্রাথমিক অনুমোদনের পর অন্যান্য প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় কর্র্তৃক লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং বিভাগ এর নিকট প্রেরিত প্রাথমিক খসড়া বিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে থাকে । সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীতব্য অধ্যাদেশের খসড়া প্রস্তুত ও প্রক্রিয়াকরণ এবং অধ্যাদেশ প্রণয়নের পর তা অনুমোদনের জন্য সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থাপন করাও এ উইং এর গুরুত্তপূণ কার্যাবলীর মধ্যে অন্যতম । |
|
| |
|
| অধস্তত আইন , চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক |
|
| লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং উইং সকল অধস্তন আইন, যথাঃ- বিধিমালা , প্রবিধানমালা , উপ-আইন , প্রজ্ঞাপন , ইত্যাদি এবং আন্তজ়াতিক চুক্তি , সমঝোতা স্মারক , সমঝোতাচুক্তিসহ সরকারের পক্ষে সকল চুক্তি , সমঝোতা স্মারক এবং সকল আইনী দলিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই করে থাকে । |
|
| |
|
| আইন প্রণয়ন ব্যবস্থাপনা |
|
| আইন , বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং বিভাগ এর আরও একটি গুরুত্তপুণ কাজ হলো আইন ব্যবস্থাপনা । আইন ব্যবস্থাপনার অত্যাবশ্যক দিক হলো আইনের সঙ্কলন , সংহতকরণ , অভিযোজন ও প্রায়োগিক সংশোধন । এ বিভাগ এর মাধ্যমে বিদ্যমান আইনসমূহ সময় অন্তর প্রকাশ , সম্পাদণা ও তত্ত্বাবধান করা হয় এবং আইনগ্রন্থ প্রকাশনার গ্রন্থসত্ত রক্ষা করা হয়। এইরূপ প্রকাশনার উদ্দেশ্যসমুহের মধ্যে একটি হলো তৎক্ষণিকভাবে জনগণের নিকট সংশোধিত ও সংহতরূপে আইনের হালনাগাদ সরকারী সংস্করণ কালানুক্রমিকভাবে উপস্থাপন করা । আইন মন্ত্রণালয়ের এ বিভাগ এর মাধ্যমে সকল সংবিধিবদ্ধ বিধিমালা ও আদেশ , যথাঃ অধস্তন আইন এবং এইরূপ সকল দলিলের নিবন্ধন , প্রকাশ ও সম্পাদণা করা হয়। |
|
| |
|
| আইনী মতামত |
|
| মূল আইনের বিধানের সাথে সংশিষ্ট প্রস্তাবিত বিধিমালা , প্রবিধানমালা ইত্যাদির বিরোধ দেখা দেবে কিনা , অথবা প্রস্তাবিত বা বিদ্যমান আইন সংবিধানের পরিপন্থী কিনা এ সমঙর্কিত প্রশ্ন উত্থাপিত হলে লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং উইং সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয় , বিভাগ ও অধিদপ্তরকে আইন , বিধি , প্রবিধি , উপ-আইন , সমঝোতা স্মারক , আন্তজ়াতিক চুক্তি , সমঝোতা চুক্তি ইত্যাদি বিষয়ে মতামত প্রদান করে থাকে । |
|
| |
|
| আইন অনুবাদ |
|
| পূবে বাংলাদেশে সকল আইন ইংরেজী ভাষায় প্রণীত হত । ১৯৮৭ সাল থেকে সকল আইন বাংলায় প্রণীত হচ্ছে । অনেক মূল আইন বাংলা ভাষায় প্রণীত হলেও তার ইংরেজী পাঠ প্রণয়নের বাধ্যবাধকতা রয়েছে । তাছাড়া সরকার মূলতঃ ইংরেজী ভাষায় প্রণীত সকল আইনের বাংলা পাঠ প্রণয়ন করতে চায় । এই সকল মূল আইনের অনুবাদ করা ছাড়াও আইন মন্ত্রণালয় কর্র্তৃক সকল অধঃস্তন আইনের অনুবাদ করা হয় । ফলে বাংলায় ও ইংরেজীতে আইনের অনুবাদের মত খুবই কষ্টকর ও বিস্তত কাজটি এই মন্ত্রণালয়ের করতে হয় । অনুবাদ সম্পকিত এই সকল কাজ করার জন্য এ মন্ত্রণালয়ে লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং উইং এর অধীন একটি অনুবাদ শাখা রয়েছে । লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং উইং সুনির্দিষ্টভাবে যে দায়িত্তসমূহ পালন করে থাকে , তা নিম্নে উল্লেখ করা হলোঃ- |
|
| |
0 |
বিল , অধ্যাদেশ ও সাংবিধানিক আদেশ এবং অন্যান্য সংবিধিবদ্ধ আদেশ , বিধি , প্রবিধি , উপ-আইন , রেজুলেশন ও প্রজ্ঞাপনের খসড়া প্রস্তুত , বাছাই ও পরীক্ষা করা । |
| |
0 |
আন্তজ়াতিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক এবং সকল আইনী দলিলসহ অন্যান্য সকল চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের খসড়া প্রস্তুত , যাচাই ও পরীক্ষা করা । |
| |
0 |
আন্তজ়াতিক কনভেনশন এবং আন্তজ়াতিক আইন বিষয়ক কার্যাবলী। |
| |
0 |
সকল আইন , সংবিধিবদ্ধ বিধিমালা ও আদেশের অনুবাদ। |
| |
0 |
সরকারী আইন প্রকাশনার গ্রন্থসত ¡ রক্ষা । |
| |
0 |
আইন , অধ্যাদেশ ও সাংবিধানিক আদেশ এবং অন্যান্য সংবিধিবদ্ধ আদেশ , বিধিমালা ও প্রবিধিমালার প্রকাশনা । |
| |
0 |
আইন , অধ্যাদেশ ও সাংবিধানিক আদেশ এবং অন্যান্য সংবিধিবদ্ধ আদেশ , বিধিমালা ও প্রবিধিমালার নির্ভরযোগ্য অনুদিত বাংলা পাঠ প্রকাশনা । |
| |
0 |
আইন , অধ্যাদেশ , সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রপতির আদেশ এবং অন্যান্য সংবিধিবদ্ধ আদেশ , বিধিমালা ও প্রবিধিমালার সংকলন ও প্রকাশনা । |
| |
0 |
আইনের সংকলন , সংহতকরণ ও অভিযোজন ও প্রায়োগিক সংশোধন । |
|
|
| |
|
|