আইন কমিশন |
|
| |
|
|
আইন কমিশন আইন, ১৯৬৬ দ্বারা আইন কমিশন প্রতিষ্ঠিত। আইন কমিশন আইন, ১৯৬৬ এর ৫ ধারা অনুযায়ী কমিশন একজন চেয়ারম্যান এবং দুইজন সদস্য নিয়ে গঠিত। কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যগণ তাঁদের নিযুক্তির তারিখ হতে তিন বছর মেয়াদে নিজ নিজ পদে অধিষ্ঠিত থাকেন। চেয়ারম্যান অথবা কোন সদস্যকে সরকার উক্ত মেয়াদান্তে একটি নিদিষ্ট সময়ের জন্য পুনর্নিয়োগ দিতে পারেন। কমিশনকে সহায়তায় রয়েছেন একজন সচিব, তিনজন সিনিয়র গবেষণা কর্মকর্তা, একজন সহকারী সচিব এবং দুইজন অনুবাদ কর্মকর্তা। |
|
| |
|
|
কমিশনের কার্যাবলী: |
|
|
|
|
কমিশনের প্রাথমিক কার্যাবলী হল: |
|
|
(K) |
বিভিন্ন আদালতে দেওয়ানী এবং ফৌজদারী মামলার বিলম্বের কারণ চিহ্নিতকরণ এবং যতদ্রুত সম্ভব সেগুলো নিষ্পত্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করণঃ |
| |
|
(1) |
পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর যথাযথ ক্ষেত্রে আইনের সংশোধন বা নতুন আইন প্রণয়নের জন্য সুপারিশ করা ; |
|
(2) |
বিচার পদ্ধতির আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্য সুপারিশ করা ; |
|
(3) |
বিচার পদ্ধতিতে নিয়োজিত যেমন- বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তা, কর্মচারী, আইন কর্মকর্তা এবং আইনজীবীদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য ব্যবস্থার জন্য সুপারিশ করা; |
|
(4) |
পুরো বিচার পদ্ধতির উন্নতি এবং বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট আইনের অপব্যবহার প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়ের সুপারিশ করা ; |
|
(5) |
আদালত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক যথা- বিচারকদের কর্ম বন্টন, নকল সরবরাহ, নথি সরবরাহ ও সংরক্ষণ, নোটিশের ব্যবহার এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়াদির আধুনিকায়নের জন্য সুপারিশ করা; |
|
(6) |
বিভিন্ন ধরণের সরকারী মামলা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিদ্যমান পদ্ধতির পরিবর্তে অধিক দক্ষ এবং জবাবদিহিমলক পদ্ধতি প্রবর্তন এবং ফৌজদারী মামলা তদন্তের জন্য একটি আলাদা তদন্তকারী সংস্থা প্রতিষ্ঠার গ্রহণযোগ্য সম্ভাব্যতা বিষয়ে সুপারিশ করা। |
|
|
|
|
(L) |
অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক তদন্ত এবং মুক্ত বাজার অর্থনীতির প্রয়োজনীয়তা মনে রেখেঃ |
| |
|
(1) |
শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামলক পরিবেশ সৃষ্টি এবং একচেটিয়া ব্যবসা পরিহারকল্পে যথাযথ ক্ষেত্রে কোম্পানী আইনসহ সংশ্লিষ্ট আইনগুলোর সংশোধন অথবা নতুন আইন প্রণয়নের জন্য সুপারিশ করা। |
|
(2) |
পরীক্ষান্তে সংশ্লিষ্ট আইন বিশেষত¡ গ্রন্থস্বত্ব, ট্রেডমার্ক, পেটেন্ট, সালিশি, চুক্তি, রেজিস্ট্রেশন এবং একই ধরণের অন্যান্য বিষয়াদির জন্য সুপারিশ করা। |
|
(3) |
বাণিজ্যিক ও ব্যাংক ঋণ থেকে উদ্ভুত মামলার নিষ্পত্তির জন্য পৃথক আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা। |
|
|
|
|
(M) |
বাংলাদেশ নিবার্চন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত বিদ্যমান নিবার্চনী আইনগুলোর প্রয়োজনীয় ও সময়মত সংশোধন ও সংস্কারের জন্য সুপারিশ করা। |
|
(N) |
নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষা এবং নারী নিযার্তন প্রতিরোধকল্পে পরীক্ষা- নিরীক্ষার পর বিদ্যমান আইনসমহের প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং যথাযথ ক্ষেত্রে নতুন আইন প্রণয়নের জন্য সুপারিশ করা। |
|
(O) |
আইনগত সহায়তা কাযর্ক্রমের যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যমান আইনের সংস্কার সাধন, নতুন আইন প্রণয়ন এবং অন্যান্য গ্রহণযোগ্য বিষয়াদির সুপারিশ করা। |
|
(P) |
একই বিষয়ে বিভিন্ন আইন যেগুলো পরষ্পর সাংঘর্ষিক সেগুলোকে চিহ্নিত করা এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রে একই বিষয়ে বিভিন্ন আইনের সংযোজন ও সংবিধিবদ্ধকরণের জন্য সুপারিশ করা। |
|
(Q) |
বিদ্যমান আইন যেগুলো মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্বপূণ© সেগুলো বাতিল এবং যথাযথ ক্ষেত্রে তা সংশোধনের জন্য সুপারিশ করা। |
|
(R) |
অপ্রচলিত এবং অপ্রয়োজনীয় আইন চিহ্নিত করত; সেগুলো বাতিল এবং কোন বিষয়ে প্রয়োজন হলে আইন প্রণয়নের জন্য সুপারিশ করা। |
|
(S) |
আইন শিক্ষা পদ্ধতির উন্নয়নের জন্য গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি সুপারিশ করা। |
|
(T) |
সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে আরোপিত অন্যান্য আইনগত বিষয় নিয়ে সুপারিশ করা। |
|
|
| |
|
| বাংলাদেশের আইন কমিশনের দপ্তর সম্পর্কে আরো তথ্যের জন্য অনুগ্রহপূবক দেখুন www.lawcommissionbangladesh.org |
|
|
|
|